Home / এসইও / গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর – পর্ব ০১
Google Ranking Factors

গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর – পর্ব ০১

গুগল (Google) কিভাবে একটি সাইটকে তার সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে র‌্যাংক করায়, এটা নিয়ে আমাদের কৌতুহলের কোনো শেষ নেই। কারন গুগল কখনই তার র‌্যাংকিং ফ্যাক্টরগুলি (Google Ranking Factors) নিয়ে খোলাসা করে কিছুই বলে না। সবই আমরা যারা এসইও (SEO) নিয়ে কাজ করি তাদের রিসার্চের ফলে জানা গেছে এই রহস্যময় জগত সম্পর্কে। 

তো আসুন আজ আমরাও প্রবেশ করি গুগলের এই রহস্য ঘেরা জগতে এবং জানার চেষ্টা করি কিভাকে একটি সাইটকে গুগল র‌্যাংক দেয় ? কোন কোন বিষয়গুলি গুগল দেখে ?

সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমার আজকের এই লেখাটিতে, যেখানে আমি আলোচনা করতে যাচ্ছি গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর নিয়ে।

আর একটি গুরুত্বপূর্ন কথা, গুগলের র‌্যাকিং ফ্যাক্টর নিয়ে আর্টিকেলটি কয়েকটি পর্বে প্রকাশিত হবে এটি ১ম পর্ব

আসুন শুরু করা যাক।

আমরা সবাই জানি অনলাইন দুনিয়াতে সব থেকে Complex বিষয় গুলোর মধ্যে গুগল এর র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর বিষয়টি অন্যতম। একটা সময় ছিলো যখন SEO বলতে শুধু মাত্র Meta Tag এবং Backlink কেই বোঝাতো। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, যখন Keyword Stuffing এবং Irrelevant সাইট থেকে Backlink এনে সাইট/পেজ র‌্যাংক করা খুবই সহজ ছিলো।

সেপ্টেম্বর ২০১৩, সালে গুগল এর Hummingbird এ্যালগোরিদম আপডেট আসাটা ছিলো SEO ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটা ভূমিকম্পের সমান। আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন এই Hummingbird আপডেট গুগলের সার্চ রেজাল্ট পেজ কে কতটা রিলেভেন্ট করেছে। এরপর থেকে BlackHat টেকনিকে SEO করে সাইট র‌্যাংক করা হয়ে যায় আগে থেকে অনেক বেশি কঠিন।

Hummingbird Algorithm এর মূল লক্ষ্য ছিল কোনো পেজকে গুগল সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে র‌্যাংক করানোর আগে পেজটি সার্চ করা কি-ওয়ার্ডের সাথে কতটা প্রাসঙ্গিক  এই বিষয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়া।  আগে যেখানে দেখা হতো এই পেজে ঐ নির্দ্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডটি কতবার ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু Hummingbird কি-ওয়ার্ডটি কতবার ব্যবহার করা হয়েছে এটিকে গুরুত্ব না দিয়ে পেজের বিষয়বস্তুর সাথে এটি কতটা প্রাসঙ্গিক এটিকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছে।

গুগলের প্রধান র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর গুলো প্রধানত ১০টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। এর বাইরেও ছোটখাটো কিছু র‌্যাংকি ফ্যাক্টর আছে তবে এগুলোই বেশি গুরুত্বপূর্ন র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।

  • 1
    ডোমেইন র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর
  • 2
    ওয়েবপেজ ফ্যাক্টর
  • 3
    ওয়েবসাইট ফ্যাক্টর
  • 4
    ব্যাকলিংক ফ্যাক্টর
  • 5
    ইউজার ইন্টারেকশন
  • 6
    স্পেশাল এ্যালগরিদম রুলস
  • 7
    সোশ্যাল সিগন্যাল
  • 8
    ব্রান্ড সিগন্যাল
  • 9
    অন-সাইট ওয়েব স্পাম ফ্যাক্টর
  • 10
    অফ-পেজ ওয়েব স্পাম ফ্যাক্টর

ডোমেইন র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর


০১. ডোমেইনের বয়স

এটি একটি কমন প্রশ্ন যে র‌্যাংকিং এর জন্য ডোমেইন এর বয়স কোনো ভূমিকা পালন করে থাকে কিনা। এর আগে পরে বিভিন্ন ধরনের মতবাদ ও আছে, তবে অনেক SEO স্পেশালিস্টই মনে করেন নতুন ডোমেইন এর থেকে পুরনো ডোমেইন র‌্যাংকিং এর ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল দেয়।

তারমানে বলা যায় যে, আপনার ডোমেনের বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার র‌্যাংকিং ম্যাচিউরিটিও বাড়ে।

তবে, এর মানে এই নয় যে আপনি সবসময় এক্সপায়ার বা মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেন ব্যবহার করবেন। মেয়াদ উত্তির্ণ ডোমেন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অনেক কিছু লক্ষ্য করার আছে, বিশেষত এর ব্যাকলিংক প্রোফাইল।

০২. টপ লেভেল ডোমেইন

টপ লেভেল ডোমেইন (TLD) এবং সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন (SLD) নিয়েও অনেক ধরনের কথা প্রচলিত আছে। এখানেও মেজরিটি মানুষই বলেন সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এর থেকে টপ লেভেল ডোমেইন র‌্যাংক করা সহজ। আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে সবসময় টপ লেভেল ডোমেইন পক্ষে।

সাধারনত এগুলিকে Top Level Domain ধরা হয়:

  • .com
  • .net
  • .org
  • .co
  • .info
  • .io
  • .me
  • .xyz

০৩. এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন

এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন (EMD) বলতে বুঝানো হয় আপনি যে মেইন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে চান ঠিক সেটাই ডোমেইন হিসেবে নেয়া। ধরাযাক আপনি Food এই কীওয়ার্ড এর জন্য র‌্যাংকে আসতে চাচ্ছেন এবং আপনি Food.com এই ডোমেইনটিই পেয়েছেন, এটাই Exact Match Domain। এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন সার্চ রেজাল্টে কিছুটা হলেও পজেটিভ ভূমিকা রাখে। তবে এখানে কন্টেন্ট কোয়ালিটি অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

০৪. Public WhoIs vs. Private WhoIs

একটি ডোমেন কার নামে রেজিষ্ট্রেশন করা আছে, তার তথ্য আপনি চাইলে WhoIs Guard এর মাধ্যমে লুকিয়ে রাখতে পারেন। ডোমেইন এর Whois ডাটা Private কিংবা Hide করা মানে আপনি কিছু একটা লুকাতে চাচ্ছেন। তাই Whois ডাটা প্রাইভেট না রেখে পাবলিক রাখাটাই বেস্ট প্রাকটিস।

০৫. স্পামার WhoIs Owner

গুগল যদি কোন একজন ডোমেইন Owner কে স্পামার হিসেবে ট্রেস করে, তাহলে তার Ownership এ থাকা বাকী ডোমেইন গুলোতেও সমান ইফেক্ট পড়ে।

০৬. কান্ট্রি টপ লেভেল ডোমেইন

কোন একটা নির্দ্দিষ্ট দেশের Country Code Top Level Domain (ccTLD) হলে ওই দেশের / এরিয়ার সার্চ রেজাল্টে এই ডোমেইনটিকে প্রেফার করা হয়। ccTLD এর উদাহরন হচ্ছে: .com.bd ডোমেন।

এসইও এবং আমাজন ​এ্যাফিলিয়েট কোর্স

আগামী মাস থেকে আমি এসইও এবং আমাজন এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উপড় নতুন কোর্স শুরু করতে চাচ্ছি। আগ্রহী প্রার্থীরা এখনই এই ফর্মটি পূরন করুন। আমি নিজেই আপনাদের সাথে যোগাযোগ করবো।

বি:দ্র: এগুলি ফ্রী কোর্স নয়, পেইড কোর্স।

এখানে রেজিষ্ট্রেশন করলে ট্রেইনিং এ ভর্তি হবার সময় ১০০০ টাকা ছাড় পাবেন। 

পেজ লেভেল ফ্যাক্টর


০৭. টাইটেলে কী-ওয়ার্ড

এটি একটি বহুল প্রচলিত ফ্যাক্টর, আপনি যে কীওয়ার্ড এ র‌্যাংক করতে চাচ্ছেন টাইটেলে অবশ্যই ওই কীওয়ার্ডটি থাকতে হবে। এটি On-Page SEO এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি র‌্যাংকিং সিগন্যাল।

keyword in Title

০৮. টাইটেলের শুরুতেই কী-ওয়ার্ড

জনপ্রিয় SEO টুল MOZ এর একটি এক্সপেরিমেন্ট এর পর তারা অনুষ্ঠানিক ভাবে জানান যে, যেসব কীওয়ার্ড টাইটেলের শুরুতে ব্যবহার করা হয়েছে তারা টাইটেলের মাঝে বা শেষে দেয়া কীওয়ার্ড গুলোর থেকে সার্চ রেজাল্টে ভালো পারফর্ম করে।

০৯. মেটা ডেসক্রিপশন / মেটা ট্যাগ

যদিও গুগল মেটা ডেসক্রিপশনকে ডিরেক্ট র‌্যাংকি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচনা করে না। তারপর ও সার্চ রেজাল্টে মেটা ডেসক্রিপশন এর কিছুটা হলেও ভ্যালু আছে। বিশেষকরে এটি আপনার সাইটের CTR (Click Through Rate) বাড়তে সাহায্য করে।

১০. H1 ট্যাগে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করা

H1 ট্যাগ কে বলাহয় সেকেন্ড টাইটেল ট্যাগ। গুগল যদি আপনার ওয়েবসাইটের টাইটেল কে মেইন র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচনা করে সেক্ষেত্রে H1 ট্যাগ কে সেকেন্ডারী র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে বলা যেতে পারে। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, একটি পেজ/পোষ্ট এ ১টির বেশী H1 ট্যাগ ব্যবহার করা ঠিক না।

১১. লং কন্টেন্ট

কন্টেন্টের লেন্থ (Length) র‌্যাংকি এ আসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। কারন গুগল সব সময়ই চায় একই সাথে ইউজারকে সঠিক এবং বেশি তথ্য দিতে। তাই যদি আপনার কন্টেন্ট ছোটো হয় তাহলে র‌্যাংকিং করাটা কঠিন হয়ে যায়। Backlinko এর ফাউন্ডার Brain Dean প্রায় ১০লাখ গুগল পেজ নিয়ে একটি রিসার্চের পর জানিয়েছিলেন গুগলের ১ম পেজে থাকা ১ম রেজাল্টের গড় লেন্থ ১৮০০ ওয়ার্ড +

১২. কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি

কীওয়ার্ড ডেনসিটি বলতে বোঝানো হয় মেইন কীওয়ার্ড (আপনি যে কীওয়ার্ডে র‌্যাংক করতে চাচ্ছেন) পুরো আর্টিকেলের মধ্যে শতকরা কত % ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কীওয়ার্ড ডেনসিটির ব্যাপারে খুবই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারন কীওয়ার্ড ডেনসিটি একেবারে কম হলে যেমন র‌্যাংক করা কঠিন তেমন কীওয়ার্ড ডেনসিটি বেশি হলে গুগলে পেনাল্টি খাওয়ার চান্স ও বেশি।

প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে কত পার্সেন্ট কীওয়ার্ড পুরো আর্টিকেলের মধ্যে রাখা যেতে পারে? এটার উত্তর একেক জন একেক ভাবে দিয়ে থাকে, তবে আমার ব্যাক্তিগত মতমত ১০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেলে ৫-৬ বারের বেশি মেইন কীওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত না।

১৩. Latent Semantic Indexing (LSI) কী-ওয়ার্ড

উপরে তে আমরা জেনেছি যে, কন্টেন্ট এর মধ্যে কীওয়ার্ড ডেনসিটি বেশি থাকলে তা গুগল খারাপ চোখে দেখে এবং পেনাল্টি খাওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকে। কিন্ত এটাও সত্য রিলেভেন্ট কীওয়ার্ড না থাকলে আর্টিকেল র‌্যাংক করা কঠিন। এক্ষেত্রে চমৎকার একটি সমাধান হতে পারে Latent Semantic Indexing (LSI) কীওয়ার্ড, LSI কীওয়ার্ড এর মানে হলো মেইন কীওয়ার্ড এর রিলেভেন্ট কোনো টার্ম আর্টিকেলে ব্যবহার করা।

যেমন: আপনার কীওয়ার্ড হচ্ছে "Keyword research tool" , তো এর LSI হতে পারে "Best Keyword tools" , "Google keyword planner tool" , "google keyword research tool" ইত্যাদি। 

আপনি নিজ থেকে LSI কীওয়ার্ড খুজে বের করতে না পারলে একটি টুল আপনি ব্যবহার করতে পারেন, যার নাম LSIGraph

১৪. পেজ লোডিং স্পিড

Google কিংবা Bing ২ সার্চ ইন্জিনেই লোডিং স্পিড কে গুরুত্বপূর্ন র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আপনার সাইটের পেজ যদি লোড হতে বেশী সময় নেয়, তাহলে এটি আপনার সাইটের জন্য ক্ষতিকর। সাধারনত একটি পেজ ৩-৪ সেকেন্ডের মধ্যে লোড হওয়া উচিত।

আমি সাইটের লোডিং সময় দেখার জন্য এই টুলগুলি ব্যবহার করে থাকি।

১৫. ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট

একটা সময় ছিলো যখন স্পামিং বা ব্লাক হ্যাট ওয়েতে ওয়েবসাইট র‌্যাংক করা যেতো। সেই সময়ে যেহেতু গুগল এখনকার মতো র‌্যাংকব্রেইন কিংবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর গুরুত্বপূর্ন টার্মস গুলো ব্যবহার করতো না এতে করে অনেক সময় ডুপ্লিকেট কন্টেন্টও র‌্যাংক করতো। কিন্ত এখন আর সেই সময় নেই। আপনার ওয়েবসাইটে যদি ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট থাকে এটা গুগলের চোখে অনেক বড় নেগেটিভ সাইন এবং এই ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এর জন্য যেকোনো সময় সাইট পেনাল্টি পেতে পারে। তাই সাইটে কন্টেন্ট আপলোড করার আগে উচিত অবশ্যই প্লাগারিজম চেকার দিয়ে পুরো কন্টেন্ট ভালো ভাবে চেক করে নেয়া।

কন্টেন্ট ডুপ্লিকেট কিনা এটি চেক করার জন্য আমি এই টুলগুলি ব্যবহার করে থাকি।

আজকে এ পর্যন্তই, ব্যক্তিগত ব্যস্তার কারনে ইদানিং কন্টেন্ট গুলো দেরিতে পাবলিশ হচ্ছে। আশাকরি খুব শীঘ্রই গুগল র‌্যাংকি ফ্যাক্টর এর দ্বিতীয় পর্ব লিখতে পারবো। লেখাটি ভালো লেগে থাকলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

নোট – আপনার অনেকেই আমার ইউটিউব চ্যানেল এর সমস্যা নিয়ে কিছুদিন আগে আমাকে নক দিয়েছিলেন। আমিও ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে জানিয়েছিলাম যে টেকনিক্যাল কিছু ইশ্যুর কারনে কিছু ভিডিও দেখা যাচ্ছে না। আপাতত সমস্যা টি সমাধান হয়েছে। আপনারা এখন আমার সব ভিডিও ই অনলাইনে দেখতে পারবেন। আর কোনো সমস্যা হলে নির্দীধায় আমাকে ফেসবুকে নক দিতে পারেন।

লেখার ​গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর – পর্ব ০২ পর্বটি পড়ার জন্য আমন্ত্রন জানিয়ে আজ বিদায় নিচ্ছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

Check Also

Off Page Strategies

২০১৮ সালের অফ-পেজ এসইও (Off-Page SEO) কৌশল কি হওয়া উচিত

শুরুটা একটু গল্প মাধ্যমে করি। মনে করুন আপনার নাম “A” । আপনি এসইও শিখতে চান …

8 comments

  1. স্যার আপনাকে দারুন মিস করি। তবে আপনার গুগল র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর আর্টিকেলটি পড়ে খুবই উপকৃত হলাম। একটি প্রশ্ন- যদি আমার সাইট ৩/৪ সেকেন্ডে লোডিং না হয় তবে আমার কি করণীয় দয়া করে জানাবেন।

  2. Vaiya duplicate content check korar jonno free tools gulo ki valo hoba

  3. Mahbub Hussain suhel

    Thank you sir for your post.

  4. valo laglo sir onek informative

  5. khub valo likcen sir

  6. আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দরভাবে গুছিয়ে লেখার জন্য। আমি এ সকল জিনিস আমার ওয়েবসাইটে প্রয়োগ করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares